আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলার ডুবিতে ২ জেলে নিখোঁজ,২৮ জেলে উদ্ধার

বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্র উত্তাল থাকায় কুয়াকাটা সংলগ্ন দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মঙ্গলবার গভীর রাতে দু’টি এবং বুধবার দুপুরে একটি মাছধরা ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ট্রলারে থাকা জেলেদের অপর দু’টি মাছধরা ট্রলারের জেলেরা উদ্ধার করে বুধবার বিকেলে মৎস্যবন্দর মহিপুরে নিয়ে এসেছে।

ফিরে আসা জেলেরা জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে মৎস্যবন্দর আলীপুরে-মহিপুরে ফিরে আসার পথে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৪০ কি:মি: দÿিন বঙ্গোপসাগরের সোনার চর এলাকায় তাদের ট্রলার ডুবে যায়। এফবি মায়ের দোয়া মঙ্গলবার রাত ১১ টায়, এফবি নায়েতহবিল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টায় এবং এফবি পলাশ বুধবার দুপুরে নিমজ্জিত হয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে ডুবে যাওয়া এফবি মায়ের দোয়া ও এফবি নায়েতহবিল নামের দুই ট্রলারের ২০ মাঝিমালøাকে এফবি আল-আমিন নামের একটি মাছধরা ট্রলার মৎস্যবন্দর আলীপুরে বিকেল ৩টার দিকে নিয়ে আসে। এফবি সিকদার ট্রলারের নশুমিয়া (২৬) ও রহমান সিকদার (৩২) নামের দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন এমনটাই জানিয়েছেন এফবি পলাশ ট্রলারের মাঝি আলী হোসেন। উদ্ধারকৃত জেলেরা সবাই সুস্থ্য আছেন।
এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারটি রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইশদা ইউনিয়নের মোঃ জাফর মিয়ার। মালিক নিজেই ঔ ট্রলারের মাঝি ছিলেন। একই এলাকার এফবি নায়েতহবিল ট্রলারের মালিক মোঃ বাহাউদ্দিন। এফবি পলাশ ট্রলারটি গলাচিপা উপজেলার গোলখালী এলাকার মো. পলাশ হাওলাদারের বলে জানা গেছে।
উদ্ধাকারী বরগুনা জেলার পাথরঘাটা এলাকার এফবি আল-আমিন ট্রলারের মাঝি মোঃ মাসুদ মিয়া জানান, নিরাপদ আশ্রয়ের লÿ্যে তিনি ট্রলার নিয়ে মৎস্যবন্দর মহিপুরে ফিরে আসছিলেন। সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে সোনার চরের বাহিরে ডুবে যাওয়া ট্রলার দেখতে পেয়ে সেখানে যান। ডুবে যাওয়া ট্রলারের সাথে জেলেদের ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
এফবি সিকদার ট্রলারের মাঝি ফোরকান মিয়া বলেন, আমি ঘাটে ফিরে আসার সময় জেলেদের সমুদ্রে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: