আজ ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং

পীরগঞ্জে দেশের প্রথম শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর – টিচিং এইডস মিউজিয়াম

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গড়ে উঠেছে দেশের প্রথম শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর। শিশু শিক্ষার্থীদের শিখন স্থাায়ী ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘টিচিং এইডস মিউজিয়াম’ নামে এই শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরটি নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজল-ই খোদা পাভেল।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবির সাথে বর্ণণা,দেশের স্মপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,মহান মুক্তিযুদ্ধের ৭জন বীরশ্রেষ্ঠ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন,তথ্য প্রযুক্তি সহ গণিত,ইংরেজীর নানা বিষয়ের উপর শিক্ষা উপকরণ তৈরী করে সাজানো হয়েছে এই জাদুঘরটি। সপ্তাহে একদিন করে বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এই জাদুঘরে পাঠদান নিয়ে থাকেন শিক্ষকরা। এই শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরটির কারণে এরই মধ্যে বিদ্যালটিতে শিক্ষাথীদের অনুপস্থিতির হার কমে যাওয়া সহ ঝরে পড়া রোধ হয়েছে। সেই সাথে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষাতেও ভালো ফলাফল করছে শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ১ শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের শ্রেণীর সবাইকে সপ্তাহে একদিন এই জাদুঘরে ঢুকিয়ে ছবি দেখিয়ে পড়ানো হয়। বইয়ের পড়ার বাইরেও অনেক বিষয়ে এখানে জানতে পারি। দেশের অনেক বিশিষ্টজনদের নাম ও তাদের অবদান সম্পর্কে আমি জেনেছি। এই জাদুঘরে ঢুকে পড়তেও ভালো লাগে। পড়া মনেও থাকে।’ ‘আগে স্কুলে আসতে ইচ্ছে করতো না। এখন নিয়মিত স্কুলে আসি। স্কুলের জাদুঘরে ক্লাস করে অনেক কিছুই শিখতে ও জানতে পারছি’এমনটিই বলছিল তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র হাবিবুর রহমান। সে বলে,‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা যে আমাদের দেশের স্মপতি এটা আমাদের জাদুঘরের শিক্ষা উপকরণ থেকে পড়েই জানতে পেরেছি। তার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখিয়ে আমাদের স্যার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্পর্কে বলে থাকেন। এখন আমরা নিজেরাই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে পারি।’ নাদিয়া আকতার,শাহিন আলম,রাকিব হোসেন সহ আরো কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, এই জাদুঘরের কারণে তাঁরা এখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীরশ্রেষ্ঠদের সম্পর্কে জানতে পারছে।তথ্যপ্রযুক্তি,গণিত ও ইংরেজী বিষয়গুলোর পড়াও সহজে আয়ত্ত করতে পারছে।
শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরটির প্রতিষ্ঠাতা ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজল-ই খোদা পাভেল বলেন,আমার স্বপ্ন ছিল মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এইরকম একটি শিক্ষা উপকরণ মিউজিয়াম করার। যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা উপকরণ দেখে দেখে শিখতে পারবে। অবশেষে ২০১৫ সালে সহকারী শিক্ষকদের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে টিচিং এইডস মিউজিয়াম নামে শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করি। এখন প্রতিদিন স্কুল শেষে শিক্ষার্থীরা এই মিউজিয়ামে ঘুরে ঘুরে শিক্ষা উপকরণ দেখে বইয়ের বাইরে জ্ঞান অর্জন করছে।
তিনি আরো বলেন,শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের ক্ষেত্রেও জাদুঘরটির অবদান রাখছে। বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষকরাও আমাদের শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর দেখতে আসছে।দেশের প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে যদি এই শিক্ষা উপরকরণ জাদুঘর চালু করা যায় তাহলে শিক্ষার্থীরা খুবই উপকৃত হবে।
জাদুঘরটির সমস্যার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জায়গা স্বল্পতার কারণে আমরা এই জাদুঘরটি বড় করতে পারছি না। জায়গা পেলে বড় আকারে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণে জাদুঘরটি সাজাতে পারলে শিক্ষার্থীরা আরো বেশি উপকৃত হবে। এই শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরের বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নজর“ল ইসলাম বলেন, এটি শুধু ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে নয়,সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর। দেশের অন্য কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর এখন পর্যন্ত নেই। এরকম জাদুঘর যদি প্রত্যেক বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে শিক্ষার্থীরা বইয়ের বাইরেও জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।
দেশের প্রথম শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর ‘ টিচিং এইডস মিউজিয়াম’ উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গড়ে উঠেছে দেশের প্রথম শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর। শিশু শিক্ষার্থীদের শিখন ¯’ায়ী ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘টিচিং এইডস মিউজিয়াম’ নামে এই শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরটি নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজল-ই খোদা পাভেল।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবির সাথে বর্ণণা,দেশের ¯’পতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,মহান মুক্তিযুদ্ধের ৭জন বীরশ্রেষ্ঠ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন,তথ্যপ্রযুক্তি সহ গণিত,ইংরেজীর নানা বিষয়ের উপর শিক্ষা উপকরণ তৈরী করে সাজানো হয়েছে এই জাদুঘরটি। সপ্তাহে একদিন করে বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এই জাদুঘরে পাঠদান নিয়ে থাকেন শিক্ষকরা। এই শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরটির কারণে এরই মধ্যে বিদ্যালটিতে শিক্ষাথীদের অনুপ¯ি’তির হার কমে যাওয়া সহ ঝরে পড়া রোধ হয়েছে। সেই সাথে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষাতেও ভালো ফলাফল করছে শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাঈমা মুস্তারী বলেন, ‘আমাদের শ্রেণীর সবাইকে সপ্তাহে একদিন এই জাদুঘরে ঢুকিয়ে ছবি দেখিয়ে পড়ানো হয়। বইয়ের পড়ার বাইরেও অনেক বিষয়ে এখানে জানতে পারি। দেশের অনেক বিশিষ্টজনদের নাম ও তাদের অবদান সম্পর্কে আমি জেনেছি। এই জাদুঘরে ঢুকে পড়তেও ভালো লাগে। পড়া মনেও থাকে।’ ‘আগে স্কুলে আসতে ই”েছ করতো না। এখন নিয়মিত স্কুলে আসি। স্কুলের জাদুঘরে ক্লাস করে অনেক কিছুই শিখতে ও জানতে পারছি’এমনটিই বলছিল তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র হাবিবুর রহমান। সে বলে,‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা যে আমাদের দেশের ¯’পতি এটা আমাদের জাদুঘরের শিক্ষা উপকরণ থেকে পড়েই জানতে পেরেছি। তার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখিয়ে আমাদের স্যার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্পর্কে বলে থাকেন। এখন আমরা নিজেরাই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে পারি।’ নাদিয়া আকতার,শাহিন আলম,রাকিব হোসেন সহ আরো কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, এই জাদুঘরের কারণে তাঁরা এখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বীরশ্রেষ্ঠদের সম্পর্কে জানতে পারছে।তথ্যপ্রযুক্তি,গণিত ও ইংরেজী বিষয়গুলোর পড়াও সহজে আয়ত্ত করতে পারছে।
শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরটির প্রতিষ্ঠাতা ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজল-ই খোদা পাভেল বলেন,আমার স্বপ্ন ছিল মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এইরকম একটি শিক্ষা উপকরণ মিউজিয়াম করার। যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা উপকরণ দেখে দেখে শিখতে পারবে। অবশেষে ২০১৫ সালে সহকারী শিক্ষকদের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে টিচিং এইডস মিউজিয়াম নামে শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করি। এখন প্রতিদিন স্কুল শেষে শিক্ষার্থীরা এই মিউজিয়ামে ঘুরে ঘুরে শিক্ষা উপকরণ দেখে বইয়ের বাইরে জ্ঞান অর্জন করছে।
তিনি আরো বলেন,শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের ক্ষেত্রেও জাদুঘরটির অবদান রাখছে। বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষকরাও আমাদের শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর দেখতে আসছে।দেশের প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে যদি এই শিক্ষা উপরকরণ জাদুঘর চালু করা যায় তাহলে শিক্ষার্থীরা খুবই উপকৃত হবে।
জাদুঘরটির সমস্যার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জায়গা স্বল্পতার কারণে আমরা এই জাদুঘরটি বড় করতে পারছি না। জায়গা পেলে বড় আকারে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণে জাদুঘরটি সাজাতে পারলে শিক্ষার্থীরা আরো বেশি উপকৃত হবে। এই শিক্ষা উপকরণ জাদুঘরের বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নজর“ল ইসলাম বলেন, এটি শুধু ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে নয়,সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর। দেশের অন্য কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ জাদুঘর এখন পর্যন্ত নেই। এরকম জাদুঘর যদি প্রত্যেক বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে শিক্ষার্থীরা বইয়ের বাইরেও জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।

Comments are closed.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: