আজ ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

ধামরাইয়ে ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের ফটক বন্ধ করে অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলা হয়েছে

ধামরাইয়ে রাস্তার পাশে ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হর্ন এর শব্দ সমস্যায় জর্জরিত, বিদ্যালয়ের গেটের ফটক বন্ধ করে অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলা হয়েছে।প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
ধামরাই উপজেলার পৌরসভার ভিতরে এবং উপজেলার সদরের মধ্যে বিদ্যালয়টি অবস্থিত হওয়ায় প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়ে থাকে।ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুধু শ্রেণীকক্ষের সঙ্কটই নয়,বিদ্যালয়ের গেটের ফটক বন্ধ করে সড়ক দখল করে যানবাহনের অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তোলা হয়েছে। শ্রেণী কক্ষে পাশদিয়ে ধামরাই পৌরসভা প্রবেশ দার।ভোরবেলা থেকে বসে বাজার, বাজারে লোকজনের জন্য অটোরিকশা প্রাইভেটকার, বাস ট্রাকের হর্ন এর শব্দএ রকম নানা সমস্যায় জর্জরিত এ বিদ্যালয়টি। তবুও থেমে নেই কার্যক্রম। এতো সমস্যার মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। গাড়ির হর্ণের জন্য পাঠদান করাতে শিশু শিক্ষার্থীদের সমস্যায়,স্কুলের প্রবেশের প্রধান সড়কটি স্কুল ভবনের পূর্ব পার্শ্বে ১৫ মিটার দূরে সকালের বাজার ৬মিটার দূরে পূর্ব দক্ষিণ কোণে ঢাকা আরিচা মহাসড়কে হর্ণের শব্দ।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবক বৃন্দ জানান, দীর্ঘ দিন ধরে নানাবিধ সমস্যায় পুষ্টকামুরী এই ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জর্জরিত।হর্ণের কারনে ছাত্র-ছাত্রীদের মনোসংযোগ তথা পড়াশুনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিশুদের বেলায় এর প্রভাব ব্যাপক। তাদের মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাস্তার পাশ স্কুল তাই হঠাৎ হর্ণের শব্দ চিন্তার বিচ্ছিন্নতা তৈরী করছে, মেজাজকে করে তুলছে খিটখিটে। প্রতিনিয়ত শব্দদূষণের মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীদের মাথাধরা রোগ দেখা দিচ্ছে। বিশেষঞ্জ বলেন মাত্রাতিরিক্ত শব্দের কারনে একজনের হার্ট ডিজিজ হতে পারে বা পূর্বে সূত্রপাত হয়ে থাকলে তার এ সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। হৃদরোগ আক্রান্ত তার হৃদস্পন্দের গতি বেড়ে যায় এবং রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায়। এ দুই কারনেই হৃদপিন্ডে রক্ত সরবরাহ কমে যেতে পারে। ফলে যে কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সুতরাং গাড়ীর হর্ণ বা উচ্চ কোন শব্দ শিক্ষার্থীদের খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নাম না প্রকাশের শর্ত একজন এই স্কুলের শিক্ষক বলেনঅনেক সময় অটো গাড়ি দিয়ে বিদ্যালয়ের গেইট আটকে রাখা হয়।শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে সমস্যা হয়। অটো ড্রাইভারদের কিছু বললে বলে ঘুরে যান।তারা রাস্তা আটকিয়ে দাঁড়িয়ে সিগারেট খায়, অনেক সময় অশ্লীল ভাষায় আলাপ ও করে।আমাদের এই সমস্যার প্রতিবাদ করার কেউ নেই, আমরা তো অসহায় স্কুলের
বর্তমানে শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ৮৬৫জন ছাত্র-ছাত্রী

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: