আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই মার্চ, ২০২১ ইং

প্রশাসন আমার হাতে আছে সাংবাদিক আমার একটা পশমও ছিড়তে পারবে না

বন্দরনগরী চট্রগ্রামে বিদ্যুৎ অফিসে চলছে দুর্নিতি ও জালিয়াতির মহোৎসব।
প্রশাসনের নাকের ডগায় ঘটনা গুলো ঘটলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছেন না তারা।  বর্তমানে তাহার বিরুদ্ধে মিটার রিডিং ফেলে দেওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এবং তার তদন্তে সহকারি প্রকাশলি মোঃ শাহাদৎ হোসেন ও আরো একজন তদন্তকারী অফিসার সহ কমিটি গঠন করা হয় ।
এদের সাথে আরও আরো কয়েকজন জড়িত আছে বলেও জানা গেছে।  এবং  বন্দরটিলা নয়ার হাটে নতুন মিটারে জন্য গ্রাহক কাগজপত্র জমা দিলে সেখানেও চলছে প্রতারণা ।
চট্রগ্রাম সিটিকর্ফেশনের জাল সাটির্ফিকেট তৈরীর  কাজ করা হয় কম্পিউটার এর মাধ্যমে।
এবং জায়গার খাজনা পরিশোধের কাজেও জালিয়াতি ও করা হয়।
নতুন ফাইল (২০১৭) থেকে তাহার নামের সকল ফাইল গুলো তদন্ত করিলে সত্যটা প্রকাশ পাবে তাতক্ষনিক,  এসব প্রতারণার সাথে  জড়িত রয়েছে  অলিল বাবু, ফারুক আজম এল ডিয়ার, এরা হালিশহর বিদ্যুৎ অফিসে কর্মরত।
এবং সেই সাথে সাধারণ মানুষের সাথে জালিয়াতি করে আসিতাছে  এল ডি শাহাবুদ্দিন।
এর কাছে জমাকৃত ফাইল গুলা পড়ে থাকে এবং এসব তদন্ত করলে সত্য গুলো প্রকাশ সামনে চলে আসবে  তাতক্ষনিক।
আরও জানা যায় যে জরিত আছেন সহযোগী হিসাবে, সাহাজ্যকারি, আসমত ডালি, এবং পংকজ কুমার দাশকে সাহাজ্য করিতাছে।
পংকজ কুমার দাশ একি ব্যক্তি দুটি কম্পিউটারে দুটি জন্ম তারিখ দেখিয়ে প্রায় ৫বছর জাবত সরকারি সকল সুযোগ সুবিধি ভোগ করে আসিতাছেন।
তাহার পুলিশ ভেরিভিশনে দুটি জাল সাটির্ফিকেট ধরা পরেছে
 বর্তমানে দুটি ইনক্রীমিন স্থাগিত আছে।
সে বর্তমানে কাপ্তাই একটি বড় এমাউন্টের  জায়গা ক্রয় করেছেন ও তাহার টাকার যোগান পায়  সরকারি  মিটারের রিডিং ফেলে দিয়ে
মিটার পরিবর্তন করা হয়।
 নতুন মিটারে জাল জারিয়াতি করে মোটা অংকের টাকার বিনিময় অর্থো উপারজন করেছেন।
তাহার বিরোদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করিলে প্রশাসনকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করিবে এবং চট্রগ্রাম সিটিকর্ফেশন  তার বিরোদ্ধে  পিডিবি ভুমি অফিসে তাতক্ষিক আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করিবেন।
এধরনে লোকজনকে চাকুরীতে  সাথে সাথে বহিস্কার করুন  এরা তো দেশ ও জাতির শ্রুত এদের কারনে  বিদ্যুৎ অফিসে দিনের পড় দিন একটার পড় একটা দুর্নীতি চলতেই থাকবে এই দুর্নীতি ও জালিয়াতি পংকজ কুমার দাশকে  চাকুরীতে হতে বহিস্কার না করিলে  ভবিষৎতে  বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি বেড়িয়ে চলতে থাকবে  এবং বিদ্যুৎ অফিসের  সকল কর্মকর্তাকে আরও কঠর হতে হবে।
এধরনে দুর্নীতি ও জালিয়াতি দিন দিন বেড়েই চলছে  তবু ও এদের বিরোদ্ধে  কোন একশন নিচ্ছে না বিদ্যুৎ অফিসের  সিনিয়র কর্মকর্তারা।
 এই দুর্নীতি বাজদের চাকুরীতে নেওয়ার আগে তাহার  কাগজপত্র যাচাই বাচাই করে চাকুরীতে  নেওয়াটাই মনে করছেন  মাননীয় বাংলাদেশ সরকার।
গণপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  দেশ ও জাতির নয়নের মনি  জননেত্রী  শেখ হাসিনা সরকারকে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি সুদৃষ্টি রাখার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন বন্দর নগরী এলাকাবাসী  ।
এবিষয়ে জানতে চাইলে  পংকশ কুমার দাশ সকল সাংবাদিকদেরকে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বলে প্রশাসন আমার হাতে আছে  সাংবাদিকরা আমার শরীলের একটি পশম ও ছিড়তে পারবে না বলে মন্তব্য করে  এই পংকশ কুমার দাশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: