আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

লালমনিরহাটে কালীগঞ্জে পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশ ও ড্রামের ভেলা

গত বছরের বন্যায় রাস্তা ভেঙ্গে নদী সদৃশ খালের সৃষ্টি হওয়ায় তা পারাপারে একমাত্র ভেলাই ভরসা হয়ে দেখা দিয়েছে লালমনিরহাটের  কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের চর বৈরাতির হাজিরহাট এলাকাবাসীর। বছর সময় অতিক্রান্ত হলেও ক্ষতিগ্রস্থ ওই রাস্তাটি মেরামত না হওয়ায় চরম ভোগান্তিসহ দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী সহ হাজার হাজার পথচারী। ফলে  উপায়বিমুখ এলাকাবাসীর নিজ খরচেই  বাঁশ ও ড্রামের তৈরী দুটির ভেলার সাহায্যে চলছে পারাপারের কাজ।
২৭ আগস্ট সরেজমিনে দেখা যায়, জীবিকার তাগিদ ও নানা প্রয়োজনে ঝুকি নিয়েই উত্তর থেকে দক্ষিণে রাস্তাটির নদীসদৃশ ভাঙ্গা অংশ ৫ টাকা দিয়ে পারাপারের জন্য ভেলায় উঠে  রশি টেনে যেতে হয় এপাড় থেকে ওপাড়। যেতে হয় উপজেলা সদর সহ বিভিন্নস স্থান ও হাটবাজার। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, ব্যবসায়ীদের মালামাল বহন, পণ্য বাজারজাতকরণ, মুমূর্ষ রোগীর জরুরি চিকিৎসা গ্রহনসহ সকল প্রয়োজনেও চরাঞ্চলবাসীকে নির্ভর করতে হয় ওই রাস্তার উপর।
ফলে পারাপারের সময় পানিতে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে অহরহ।
এ অবস্থায় চর বৈরাতির হাজিরহাট এলাকায়
ওই এলাকার মোহাম্মাদ মিশান মোল্লা,খালেকুজ্জামান ও নুরুজ্জামান সহ অনেকেই  বলেন, সকলের কষ্ট ও দুর্ভোগ লাঘবে এবং ক্ষয়-ক্ষতি থেকে রক্ষায় নিজস্ব খরচে এসব ভেলা তৈরী করেছি কিন্তু
আমাদের এই দুর্ভোগের দিনে সরকারি কর্মকর্তা সহ জনপ্রতিনিধিদের কোনো দৃষ্টি পাচ্ছিনা।
এ ব্যাপারে তুষভান্ডার ইউপি চেয়ারম্যান নুর ইসলাম আহমেদ বলেন,  ওই এলাকার উত্তর থেকে দক্ষিন ও পূর্ব থেকে পশ্চিম চরাঞ্চলের এ দুইটি ভাঙ্গা রাস্তায় অতিরিক্ত পানির চাপের ফলে রাস্তা ভরাট করার পরও তা টিকছে না।দুর্ভোগ লাঘবে সরকারী  উদ্যোগ জরুরী।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বলেন, পূর্ব পশ্চিম ও উত্তর দক্ষিনে যে দুটি ভাঙ্গাখাল আছে তা আমার নজরে আছে,প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেলে দ্রুত কাজ করা হবে।
এমতাবস্থায় চরবৈরাতীর হাজিরহাট এলাকার
জনসাধারণের নিরাপদ পারাপারে  প্রসাশনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগের দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: