আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জুন, ২০২১ ইং

রহস্যঘেরা হত্যাকাণ্ড মহিপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন ইউনিয়নগুলোয় ডাকাত আতঙ্ক বিরাজ করছে কয়েক মাস ধরেই। নির্ঘুম রাত কাটছে এসব এলাকার লোকজনের। কয়েক জায়গায় ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। তারই ধারাবাহিতায় মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮.০০টার দিকে মহিপুরের সেরাজপুর গ্রামে ঘর থেকে মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসমাইল ঘরামীর ঘর থেকে রাত সাড়ে ৮.০০টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত বেড়িয়ে গেলে শিশুটির মা সালমা বেগম (২৫) ডাকাত! ডাকাত!! বলে ডাক-চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দেখেন তিনি সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পরে আছেন আর ছোট দুই শিশুকে দেখতে পেলেও ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ইভাকে (১২) দেখেন না এবং কোথাও কারো হদিস পাওয়া যায়নি। পরে অনেক খোঁজাখুজির পর ইভাকে রক্তাক্ত, বিবস্ত্র ও বেহুশ অবস্থায় ঘরের দোতলায় পাওয়া যায়। এ সময় তার স্পর্শকাতর স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আরিফুজ্জামান মৃত্যু ঘোষণা করেন এবং তিনি বলেন হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই ইভা মারা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেন নি।

এ ঘটনার সময় নিহত শিশুটির বাবা ইসমাইল ঘরামী ঘরে ছিলেন না। তার ভাই ইউসুফ ঘরামী দাবি করে বলেন, মা-মেয়ে উভয়েই গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং ইভাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে, মহিপুর থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান শিশুটি নিহতের খবর নিশ্চিত করে জানান, এলাকায় ডাকাতের গুজব রয়েছে। তবে কি কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এটি এখনও স্পষ্ট নয়। শিশুটি ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষার আগে বলা যাবেনা। এছাড়া শিশুটির মায়ের সাথে কথা বলে বোঝা যাবে কি হয়েছিলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: