আজ ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিংঙ্গীমারীসহ তিনটি ইউনিয়নে ভোর রাতে বৃষ্টিতে বাঁধের কিছু কিছু স্থান ভেঙ্গে গিয়ে পানি ঢুকে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।  ফলে তিনটি ইউনিয়নের কৃষকরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায় ।  উপায় না পেয়ে গ্রামবাসীরা সেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ভেঙে যাওয়া  ওই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করছেন।

তিস্তা নদীর পানির তোড়ে উপজেলার সিংঙ্গীমারী ইউনিয়নের ধুবনী ও মধ্য ধুবনী গ্রামে চারটি স্থানে বাঁধ ভেঙে গেছে।  স্থানীয়রা ভেঙে যাওয়া বাঁধ নিমার্ণে বাঁশ ও বালুর বস্তা ফেলে তা রক্ষার চেষ্ঠা করছেন।  এজন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে গ্রামবাসীদের বস্তা সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানাগেছে।

সরেজমিনে দেখাগেছে, গ্রামের লোকজন স্থানীয়ভাবে বাঁশ সংগ্রহ করে ভাঙা স্থানে খুটি বসাচ্ছেন।  আবার কেউ কেউ বালুর বস্তা ফেলছেন সেখানে।
এসময় মধ্য ধুবনী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আউয়াল বলেন, প্রতিবছর বর্ষা এলেই তাদের ওই বাঁধের কোন না কোন স্থান ভেঙে যাচ্ছে।  যার ফলে সিংঙ্গীমারীসহ অন্তত তিনটি ইউনিয়নে পানি ঢুকে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এবছরও বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় রোপা আমন ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় রোপা আমন ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে ক্ষতি নিরুপনে কাজ চলছে।  রোববার ক্ষতির পরিমান বলা যাবে। ”

হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন, ধুবনী এলাকায় বারবার বাঁধ ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।  ফলে স্থানীয়রা সেচ্ছাশ্রমে ভেঙে যাওয়া বাঁধ নির্মাণ করছে।  তবে হাতীবান্ধাবাসীকে রক্ষায় উক্তস্থানে নতুন করে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকার হাতে নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

One response to “লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ”

  1. This is my first time visit at here and i am actually happy to read all at single place.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: