আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

সুরা ফাতিহা তাফসীর – (১-৭)

সুরা ফাতিহা তাফসীর
بسم الله الرحمن الرحيم

আয়াত নং -১

الحمد لله رب العالمين
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সকল জগতসমুহুর রব। এখানে الحمد এর অর্থ সমস্ত প্রশংসা সকল ক্ষেএে আল্লাহর প্রশংসা করা ফরজ , কোন মুনাফিক, কাফের, জালেমের, মুশরিকের প্রশংসা করলে আল্লাহর রাগান্নিত হয়, হাদিসে এসেছে
اذا مدح فاسق عضب رب وهتز العرش ফাসেকের প্রশংসায় আল্লাহ রাগ করেন। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করে সে ফাসেক, এইপাপ কে বৈধ মনেকরলে কাফির হবে। ال এসতেগরাগি অর্থ যাবতীয় বা সমস্ত।رب রব মানে, সম্পূর্ণ নিজ দয়ায় আমাদের কে তৈরি করে যিনি আমাদের জীবনে যাবতীয় চাহিদা চাওয়া পাওয়া পুরন করেন, সৃষ্টির যাবতীয় চাহিদা চাওয়ার আগে দিয়ে দেন যেমন আমাদের চোখ,হাত, পা, কিডনি,ফুসফুস, এরকম হাজারো নেয়ামত আছে যা চাওয়া পূরবে বা দাবীর আগেই আল্লাহ বিনামুল্যে আমাদের দান করেছেন তাকে রব বলে। العالمين মানে জগতসমুহের মালিক মানেকেহ বলেন ইহকাল,পরকাল দুইজগত বুজায়।কেহ বলেন সাত আলম বা সাত জগত যেমন আলম আরওয়াহ, আরহাম, দুনয়া,বারজাখ,কিয়ামহ,জান্নাত, ও জাহান্নাম বুজায়,।কারো মতে সোরজগত,গ্যালাক্সি,নিহারিকা,ইহকাল,পরকাল, সকল জগতকেই বুজিয়েছে, জগত বলতে যা বুজায়রাব্বুল আলামিন বা বিশ্বজগতের প্রভুর রাজত্ব
————————————————————–
আধুনিক বিজ্ঞানী জর্জ গ্যামার মতে মহা বিশ্ব জগতে উৎপওি হয় এক মহাবিস্ফোরণ মাধ্যমে।
——————-Big Bang বা মহাবিস্ফোরন—————
আজ থেকে ২০০০ কোটি বৎসর পূর্বে একটি মহাবিন্দু হতে যার ওজন ছিল ১০ (পাওয়ার ১০)টন। এক সেকেন্ডের ১০০ ভাগে একভাগ সময়ে মহাকর্ষনের চাপে মহাবিন্দুকে প্রায় ২০০ কোটি ফারেনহাইট তাপমাএায় এক মহাবিষ্ফোরন ঘটে যার কারনে এই মহা বিশ্ব জগতের সুচনা হয়। এই মহা বিস্ফোরনকে Big Bang বলে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন সুরা আনবিয়ার ৩০ নং আয়াতে
اولم يرو الذين كفروا السموات والارض كانتا رتقا ففتقنهما وجعلنا من الماء كل شي حي
কাফিররা দেখেনা আসমান জমিন একবিন্দুতে একএ ছিল আমি তাকে বিস্ফোরন করিয়ে এজগত তৈরি করি।——-Six period বা ছয়দিনেবিশ্বজগত তৈরি ————–
বিজ্ঞানীরা বলেছেন বিগ ব্যাঙ্ক এরপর ছয়টি দীর্ঘ সময়কালে এবিশ্ব তৈরি হয়
1.Time Zero
2. Inflation
3.Annihilation
4.Proton & Newton
5.Atomic Nuclei
6.Stable Atom
সেই কথা কোরআনে এসেছে সুরা হাদিদের ৪ নং আয়াত
هو الذي خلق السموات والارض في ستۃ ايام
এছাড়া সুরা আরাফে ৫৪নং, ইউনুসে ৩ নং, হুদের ৭নং, ফুসিলাতের ৯-১২ নং আয়াতে আছে
——————-solar World বা সৌরজগত —————-
সূর্য হল প্রধান গ্রহ যাকে কেন্দ্র করে ১২ টি গ্রহ প্রদক্ষিণ করছে। বুধ গ্রহটি পৃথিবী হতে ৫.৮ কিলোমিটার দুরে। সুর্যের চারপাশ একবার ঘুরতে সময় লাগে ৮৮দিন। এতে তাপমাএা ৪১০ সেন্টিগ্রেড এর মধ্যাকর্ষন শক্তি পৃথিবী হতে ১০ ভাগ কম। শুক্র পৃথিবী হতে ৪.২ কিলোমিটার দুরে। সূযের চারপাশ প্রদক্ষিণ করতে ২২৫ দিন সময় লাগে। পৃথিবী হতে ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল দুরে সূর্য। এর ব্যসার্ধ ৬৩৭১ কিঃমি। মঙ্গল পৃথিবীর অর্ধেক। সূর্যের কাছে হওয়া মঙ্গল গ্রহের ২৪ ঘন্টা লাগে প্রদক্ষিণ করতে।পৃথিবীর চেয়ে ৩০ গুন বড় বৃহস্পতি এর চাদের সংখ্যা ১২ টি। সুর্য পৃথিবীর ১৩ লক্ষগুন বড়। এর ব্যাসার্ধ ১৩ লক্ষ ৯০ হাজার কিঃমিঃ। এর পৃষ্ঠে ৫৮০০ কেলিভেন তাপমাএা ও কেন্দ্রে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ সেন্টিগ্রেড তাপমাএা। প্রতি সেকেন্ডে ৩৮৬ বিলিয়ন মেগাওয়াট শক্তি উৎপন্ন করে। এভাবে ২৫ কোটি বৎসর পর আলোহীন হয়ে যাবে।শনির ১০টি চন্দ্র ও ইউরেনাসে এর ১২ টি এবং নেপচুনের ২ টি চন্দ্র আছে। এই সৌরজগতের দৈর্ঘ্য ১০ ঘন্টা আলোক।
————Shape of earth বা গোলাকার পৃথিবী———–
ফ্রান্সের বিজ্ঞানী ফ্রান্সেস ড্রোক ১৫৯৭ সালে আবিস্কার করেন পৃথিবী গোলাকার, এজন্য দিন রাতের পরিবর্তন হয় একেক সময় একেক স্হানে । এবিষয়ে আল্লাহ বলেন সুরা লোকমানের ৩৯ নং আয়াতে।এছাড়া ৩৯ নং সুরার ৫নং আয়াতে এসেছে
والارض بالحق يكور الليل علي النهار আর জমিনকে সমতল করেছি দিনরাত বিবর্তন হয়।
-পৃথিবী একটি গ্রহ যার ব্যাসার্ধ ৬৩৭১ কিলোমিটার, এছাড়া বুধ, শনি, বৃহস্পতি,মঙ্গল,শুক্র,নেপচুন, পৃথিবী, চন্দ্র,সুর্য সহ এগারটি গ্রহ নিয়ে এই সৌরজগত গঠিত। সৌরজগতের কথা কোরআন ১৪ শত বৎসর আগে
এ ধারনা দেয় ,সুরা ইউসুফে আল্লাহ বলেন
يا ابت اني راءيت احد عشر كوكبا والشمس والقمر راءيتهم لي ساجدين
হে পিতা আমি স্বপ্নে দেখেছি চন্দ্র ও সূর্য ও ১১ টি গ্রহ আমাকে সিজদা করছে।
———sciences of Arcimidis বা বস্তুভাসমান তথ্য—-
উনিশ শতকে বিজ্ঞানীক আর্কিমিডিস এর শ্রেষ্ঠ আবিস্কার যা নোবেল পেয়েছন তা হল
” প্রত্যেকটি পানিতে ভাসমান বস্তু ও ডুবন্ত বস্তু অপসারিত পানির উপর নির্ভরশীল। বস্তুর ভর যদি অপসারিত পানির ওজনের চেয়ে বেশী হয় তাহলে বস্তুটি ডুবে যাবে। বস্তুটির ভর যদি অপসারিত পানির ওজনের চেয়ে কম হয় বস্তুটি ভাসবে।
এসম্পর্কে আল্লাহ বলেন সুরা ইয়াসিনে বলেন
وايۃ لهم ان حملنا زريتهم في فلك مشحون
সমুদ্রে ভাসমান জাহাজে দিকে গবেষনা কর যা সমুদ্রে শত ঝড়তুফানে মাঝে তাদের বা মানুষের বংশধরকে ভাসিয়ে তীরে পৌছাইয়ে দেই। এ ছাড়া আরো বলেন
وفلك التي تجري في البحر بما ينفع الناس ان في ذالك لا يت لاولي الالباب
———-Flyling sky বা আকাশে উড়ন্ত বিদ্যা ————–
বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন আবিস্কার করেন
Every attack have equal & against reaction প্রত্যেকটি ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
এ সুএে উপর নির্ভর করে পাখির ডানার উপর গবেষনা করা হল যে পাখি যে ক্রিয়ায় বাতাস ঠেলে দয় সে বাতাস সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া করে পাখিকে উরতে সাহায্য করে। এখানে পাখির ওজন অপসারিত
বাতাসের ওজনের চেয়ে কম। তাই মধ্যাকষর্ন তাকে নীচে টানে না এসম্পর্কে আল্লাহ বলেন ১৪ শত বৎসর পুর্বে সুরা মুলকে এরহস্য বলেদেন
اولم يرو الي الطير فوقهم صافت ويقبضن مايمسكهن الا الرحمن
—-cyclical system বা তরঙ্গের অাবর্তনশীলতা———
সর্বপ্রথম স্যার ব্যানার্ড প্যালেছি ১৫৮০ সালে আবিস্কার করেন পৃথিবীর প্রতিটি শব্দের তরঙ্গ, মোবাইলে তরঙ্গ,মানুষের কথার তরঙ্গ সব বায়ু মন্ডলের ৬ষ্ঠ স্তর অয়নস্ফেয়ার হতে পৃথিবীতে ফিরে আসে। যা আল্লাহ কোরআনের বলেছেন
والسماء ذات الرجع শপথ ঐ আকাশে যা ফেরত পাঠিয়ে দেয়
এছাড়া পৃথিবী হতে ১৩ কিঃমিঃ উপরে ট্রাম্পোস্ফেয়ার
যাতে বাস্প হওয়া সব পানি জমা হয়ে আবার পৃথিবীতে বৃষ্টি আকারে ফিরে আসে।
—-Expending universe বা সম্প্রসারিত বিশ্ব জগত —
মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র দুই পদার্থবিজ্ঞানী ও স্টিফেন হকিং তার “A brief history of time ” এর সত্যতা স্বীকার করেন
মহাবিশ্বজগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ বিষয়ে কোরআনে আল্লাহ সুরা জারিয়াতের ৪৭ নং আয়াতে বলেন
والسماء بنينها بايد ي وانا لموسعون
এ ছাড়া সুরা ফুসিলাতের ৫৩ নং আয়াতে রয়েছে
—-create pairবা জোড়া জোড়ায় সৃষ্টি করা ———
বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী নোবেলবিজয়ী পপ ড্রেক ১৯৩৩ সালে আবিস্কার করেন যে
Every Atom two part is one part electrons are positive and other part is nuclear, a nuclear is 6 the protons & neutrons
যে পৃথিবীর প্রতিটি জীব জোড়া জোরা সৃস্টি।এমনকি পরমানু দুই অংশ ইলেকট্রন ও নিউক্লিয়ার। নিউক্লিয়ার দুই পার্ট প্রোটন ও নিউটন। মানুষ,পশুপাখি, গাছগাছালি জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করা হয়েছে। সুরা ইয়াসিনে আছে
سبحان الذي خلق ازواج كلها
——Gravity of Earth বা মধ্যাকর্ষন, অভিকর্ষন শক্তি–
বিজ্ঞানী নিউটন আপেলের মাটি নিক্ষেপের মধ্যদিয়ে মধ্যাকষর্ন ও অভিকর্ষন শক্তি অবিস্কার করেন।
পৃথিবীর কেন্দেবিন্দু হতে প্রতিটি বস্তুর ভরের কারনে প্রতিটি বস্তু উপর হতে নিক্ষেপ করলে যে শক্তি নিচে নিয়ে আসে ঐ শক্তিকে মধ্যাকর্ষন বলে। এ শক্তির কারনে পৃথিবী সেকেন্ডে ২০ কিঃমিঃ বেগে ঘুড়লেও পৃথিবীর কোন কিছু মহাকাশে ছুটে পড়ে না
যে শক্তির বলে প্রতিটি বস্তু একে অপরকে পৃথিবীতে স্তির থাকে ও নিজের ইচ্ছামতে নড়াচড়া করতে পারে
তাকে অভিকর্ষ বলে। এই দুই শক্তি না থাকলে মেঘমালার সাথে ঘুড়তে হত। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন সুরা মুমিনের ১৮ নং আয়াতে
فاسكناه في الارض وانا علي ذهاب به لقادرون
এ ছাড়াও সুরা ইনশিকাকের ৩, ৪ নং ও যিলযালের ১-৩ নং আয়াত
—Orbits বা নিজ কক্ষপথ প্রদক্ষিন——–
বিজ্ঞানীরা বলেন পৃথিবী নিজকক্ষপথপ্রদক্ষিন করে :- ২০ কিঃমি সেকেন্ড
সূর্যের করতে সময় লাগে :- ১৫০ মাইল সেকেন্ডে
(এ গ্যালাক্সি একবার ঘুড়তে ২৫ কোটি বৎসর লাগবে)
পৃথিবী নিজকক্ষ প্রদক্ষিণকরে :- ৩৬৫ দিনে
চাদের সময় লাগে :- ৩০ দিন
বুধের সময় লাগে:- ৫৮ দিন
শুক্রের সময় লাগে:- ২২৫ দিন
মঙ্গলের সময় লাগে:- ২৪ ঘন্টা
বৃহস্পতির সময় লাগে :- ৯ ঘন্টা
শনির সময় লাগে:-১২ বৎসর
সৌরজগত গতি সেকেন্ডে :-১২ মাইল এ গতিতে এই গ্যালাক্সি ঘুড়তে ২৫ কোটি বৎসর লাগবে এসম্পর্কে আল্লাহ বলেন সুরা ইয়াছিনে ৩৮ নং আয়াতেবলেন
وكل في فلك يسبحون
এছাড়া সুরা যারিয়াত ৭নং আয়াতে আছে আলো প্রতি সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৮ হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে। মহাকাশে লক্ষ কোটি তারকা আছে যার আলো পৃথিবীতে আসেনি।কেয়ামত পর্যন্ত আসবে কিনা কেউ জানে না । ১ আলোক বৎসরে = ৬ লক্ষ কোটি মাইল। এই সৌরজগতের বিস্তৃতি প্রায় ১০ আলোক ঘন্টা সূর্য পৃথিবী হতে ৯ কোটি ৩০লক্ষ মাইল দুরে ঐ সূর্য কে একবার প্রদক্ষিন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন। এই সুর্য পৃথিবী হতে ১৩ লক্ষ গুন বড়। অাধুনিক বিজ্ঞান বলে এই সুর্য সহ সকল গ্রহ নিজের কক্ষ প্রদক্ষিন করছে। কোরআন সুরা ইয়াসীনে এটা শত বৎসর আগে ঘোষনা দেয়। আল্লাহ বলেন
و كل في فلك يسبحون
প্রত্যেকটি গ্রহ তার নিজস্ব কক্ষপথ প্রদক্ষিন করছে
সুর্যের ব্যাস ১৩ লক্ষ ৯০ হাজার কিঃমিঃ,সুর্যের মোট ভরের ৭৫% হাইড্রোজেন গ্যাস, ২৫% থাকলেহিলিয়ামগ্যাস। সুর্যের পৃষ্ঠের তাপমাএা ৫৮০০ ডিগ্রিকেলিভেন। সুর্যের কেন্দ্রের তাপমাএা ১ কোটি ৫০লক্ষ সেন্টিগ্রেড।এতে প্রতি সেকেন্ডে ৩৮৬ বিলিয়ন মেঘাওয়াট শক্তি তৈরি করে। এবং ৬৯ কোটি ৫০ লক্ষ সেকেন্ডে হাইড্রোজেন গ্যাস পুড়ছে এভাবে চলতে থাকলে ২৫ কোটি বৎসর পর সূর্য আলোহীন হবে। আল্লাহ বলেন :- والشمس اذا كورت সূর্য কেয়ামতের পূর্বে আলোহীন হবে এবং সূর্য আল্লাহর আদেশে নিজ কক্ষপথ চলছে
والشمس تجري لمستقرلها ذالك تقدير العزيز العليم মহা শক্তিশালী আল্লাহর হুকুমে সূর্য নিজ কক্ষপথে চলছে।
চাদ এর নিজস্ব কোন আলো নেই সে সূর্যের আলো পৃথিবীতে ছড়ায়। চাদ পৃথিবী হতে ৩৩ হাজার মাইল দুরে পৃথিবীর একটি উপগ্রহ। সম্পুর্ন পৃথিবী একবার ঘুড়তে চাদের ৩০ দিন সময় লাগে।চাদ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন :-
والقمر قدرنه منازل حتي عاد كالعرجون القديم
সম্পুর্ন চাদটি নিজকক্ষপথ ভ্রমন শেষে শুকনো বাকা খেজুর ডালের মত বাকা হয়।
وجعل القمر فيهن نورا
আর চাদ স্নিগ্ধময় জোসনার আলো প্রদান করে পৃথিবীতে। পৃথিবী সহ ১১টি গ্রহের এ সৌরজগত সেকেন্ড ২০ কিঃমি বেগে মহাকাশে কক্ষপথ ভ্রমন করছে।
—— Seven layer of sky বা বায়ুমন্ডলের সাতটি স্তর —
পৃথিবীর উপরে বায়ুমন্ডলের সাতটি স্তর না থাকত তাহলে পৃথিবীতে দিনে তাপমাএা হত ৭০ ডিগ্রী ও রাতে ১৪৫ ডিগ্রী যার কারনে সকল গাছগাছালি পশুপাখি মারা যেত। কিন্তু আল্লাহ সাতটি বায়ু মন্ডলের স্তর করেছেন।
১. ট্রাম্পোস্ফেয়ার :- মেঘমালা থাকে
২. স্ট্রেটোস্ফেয়ার :- বায়ুস্হির হয়, বিমানও সেটলাইট
চলে, ধুলাবলি জমে।
৩.ওজনস্ফেয়ার :- সূর্যের ও নক্ষএের আলটাভায়ালাটরা
পরিশোধন হয়।
৪. মেসোস্পেয়ার :- তাপমাএা ৯০ডিগ্রী
৫. থার্মোস্ফেয়ার :-
৬. অয়নস্ফেয়ার :- শব্দের তরঙ্গ এখান হতে ফিরে
পৃথিবীতে ফিরে যায়।
৭. এক্সোস্ফেয়ার :- হিলিয়াম গ্যাস
এই সাতটি স্তর সম্পর্ক আল্লাহ বলেন সুরা বাকারার ২৯ নং আয়াতে বলেন
ثم استوي الي السماء فسوهن سبع سموات وهو بكل شي عليم
এ ছাড়াও সুরা সাজদা ১১ নং,বাকারার ২৯ নং, মুমিনুন ১৭ নং, মুলকের ৩ নং,নুহের ১৫,১৬নং, নাবা ১২,১৩ নং তালাকের ১২ নং আয়াতে আছেবুখারী শরীফে আছে মুহাম্মদ সাঃ মেরাজে যাওয়ার সময়
১ ম. আসমানে আদম আঃ
২য়. আসমানে ইয়াহইয়া ও ইসা আঃ
৩য় আসমানে ইউসুফ আঃ
৪র্থ আসমানে ইদরীস আঃ
৫ম আসমানে হারুন আঃ
৬ ষ্ঠ আসমানে মুসা আঃ
৭ ম আসমানে ইব্রাহিম আঃ
এর সাথে সাক্ষাত করেন।
—–Galaxy বা ছায়াপথ——Milkioe বা নীহারিকা——
এরকম ১০ কোটি সৌরজগত ও তারকাপুন্জের একটি দলকে নিয়ে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ গঠিত।
বিজ্ঞানীদের ধারন ১০০ কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে আমাদের এই মিলকিও গঠিত। মিলকিও হল সুর্য বিশিষ্ট লক্ষ কোটি সৌরজগত, তারকাপুঞ্জ,গ্যালাক্সি সমন্বয় গঠিত।
একটি মিলকিও দৈর্ঘ্য হল ১ লক্ষ আলোকবর্ষ।
একটি গ্যালাক্সি দৈর্ঘ্য ৭০০০ আলোকবর্ষ।
একটি সৌরজগত দৈর্ঘ্য ১০ আলোক ঘন্টা।
সূর্য একটি গ্যালাক্সিকে প্রদক্ষিনে ২৫০ মিলিয়ন বৎসর লাগে। গ্যালাক্সি ৪ ধরনের
১.eilipartical বা ডিম্বাকৃতি
২. spiyral বা গোলক আকৃতি
৩. Bird spiral বা পাখির ডানাকৃতি
৪. exception বা সম্পুর্ন ব্যতিক্রম আকৃতি
আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্যালাক্সিটির নাম andomida
এই মহাকাশে হিলিয়াম গ্যাস ২৫%, হাইড্রোজেন ৭৫% আছে।
——————Black hole বা কালোগহব্বর—————–
যে পৃথিবীর চেয়ে ১৩ লক্ষগুন বড় সূর্য, বিজ্ঞানীরা বলেন এরকম ১০ কোটি সূর্য একসাথে গ্রাস করতে পারে মহাকাশে এরকমশপত শক্তিশালী হাজার তারকা রয়েছে। ঐ সমস্ত তারকাকে কয়েক সেকেন্ড মহাকাশ হতে অস্বিত্ত হীন করে দেয় লক্ষাধিক কালোগহব্বর আছে তার নাম Blackhool
বাচ্চারা চকলেট চিবিয়ে শেষ করে তেমনি কয়েকশত সৌরজগত মাএ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মহাকাশ হতে
বিলিন করতে পারে। এটা আল্লাহ ১৪ শত বৎসর আগে কোরআনে বলেন সুরা ওয়াকিয়াতে
فلا قسم بمواقع النجوم وانه لقسم لو تعلمون العظيم
শপথ ঐ স্হানের যেখানে নক্ষএগুলো ধংস হয়।
এরকম ৩০০ টি ব্লাকহোল এই মহাকাশে রয়েছে।
অবশেষে বলতে পারি ৬৩৭১ ব্যাসার্ধে পৃথিবী সহ ছোট বড় ১১ টি গ্রহ নিয়ে সৌরজগত গঠিত। এরকম ১০ কোটি সৌরজগত ও তারকাপুঞ্জের দল নিয়ে একটি গ্যালাক্সি গঠিত। এরকম ১০০ কোটি গ্যালাক্সি একটি মিলকিওতে বিদ্যমান। এরকম ১০ কোটি মিলকিও এই মহাবিশ্বে রয়েছে। যাতে ৩শত ব্লাকহোল রয়েছে এটা শুধু প্রথম আকাশে নিচে বিদ্যামান। বুখারী আছে এরকম সাতটি আকাশ রয়েছে।তাফসীরে আছে এর উপরে সিদরাতুল মুনতাহা আছে।এরপর বায়তুল মামুর রয়েছে। এরপর ৭০ হাজার নুরের পর্দা রয়েছে। এক পর্দা হতে অন্য পর্দা পর্যন্ত ৫০০ বৎসর পথ। তারপর আরশে আজীম রয়েছে
এর ডানে লওহে মাহফুজ ও কলম ও জান্নাত।
এ বিশাল জগতসমুহের মালিক আল্লাহ সেটাই হল
الحمد لله ر ب العالمين
এ সুরার তাফসীরে আছে সালাতে এসুরা পাঠকারীর সাথে আল্লাহ কথা বলেন।যেমন বান্দা যখন বলে الحمد সমস্ত প্রশংসা, আল্লাহ বলেন لمن الحمد কার প্রশংসা
বান্দা বলে لله আল্লাহর জন্যে,আল্লাহ বলেন لمن الله কোন আল্লাহর জন্য,বান্দা বলে رب العالمين যিনি বিশ্বজগতের মালিক।
সুরা ফাতিহা তাফসীর

আয়াত নং ২

الرحمن الرحيم এর অর্থ যিনি পরমকরুনাময় ও অসিম দয়ালু এখানে
الرحمن ذو شاملۃ لجميع الخلاءق في الدني
পরম করুনাময় মানে যিনি কাফির মুশরিক,মুশরিক মুনাফিক, মুরতাদ,মুমিন মুসলিম সবাইকে তার যাবতীয় নেয়ামত দিয়েছে চাই গোলামি করুক বা না করুক সকলকে তার করুনা করেন আর والرحيم يرحم لمومنين خاص للايمان অসীম দয়াময় মানে বিশেষকরে মুমিন মুসলিম মুত্তাকি কে তার অসীম দয়া করবেন কোন কাফির কে নয় তাফসীরে আছে
সুরা ফাতিহা তাফসীর

আয়াত নং ৩

مالك يوم الدين এর অর্থ হিসাব নিকাসের দিবসে একচ্ছএ মালিক
দুনিয়ায় রাহমানের সিমানাহীন নেয়ামত দয়ায় দিশেহারা হওয়ার কারন নেই বরং তার হিসাব দিতে হবে বলা হয় আল্লাহ তুমি এদুনিয়ার মালিক তবে কেন কেয়ামতের মালিক কেন বললেন
উওর হল এদুনিয়ার সব মালিকানা বান্দাকে দিয়েদিলাম বান্দা যা তাই করতে পারে,এর মানে হল দুনিয়ায় শাসন ক্ষমতার মালিকগন কাফির মুশরিক মুমিন হবে রাজা বাদশা প্রধান মন্ত্রীগন অধিপতি হবেন দুনিয়ায় যেমন রাজা বিরুদ্ধাচারকরলে শাস্তি পেতে হবে তেমনি আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন না মানলে কঠিন কেয়ামতে তার জবাব দিহি করতে হবে প্রতিদানে শাস্তি বা পুরস্কার দেওয়া হবে। আল্লাহ বলবেন সকল জালেম রাজা বাদশা কে বলবেন يا دنيا اين انهرك اين اشجرك اين ظالمك হে দুনিয়া তুমার নদী গুলো,গাছগুলো,জালেমগুলো কোথায় যারা ক্ষমতা পেয়ে জুলুম করেছে
لمن ملك يوم لله واحد قهار আজকের রাজত্য কার কোন উওর দেওয়ার নাই আজকের রাজত্ব আল্লাহর। কেয়ামত দিবস মানে বিচারের দিন তিনটি ফুতকার হবে প্রথমটি সব ধংসহবে দ্বিতীয়টিতে আসমান জমিন সব ভেঙে দিবেন হাশর মাঠ তৈরি হবে তৃতিয়টিতে সবাই জিবিত হবে কিন্তু পশু পাখি র মাঝে ইনসাফ কায়েম করে মাটি রুপান্তর করে দেওয়া হবে
মানুষ ও জিন কে পাচটি প্রশ্ন করা হবে
لاتز ل قدم ابن ادم حتي يسءل عن خمس
১. কোন কাজে জীবন ব্যয় করেছ
২. যুবককাল কোন কাজে ব্যয় করেছ
৩ &৪ কিভাবে সম্পদ আয় ব্যয় করেছে
৫. যা জান কতটুকু আমলকরেছ
সুরা ফাতিহা তাফসীর

আয়াত নং ৪

اياك نعبد واياك نستغين
একমাএ তোমারই এবাদত করি তোমারি কাছে সাহায্য চাই এবাদত শব্দের মানে গোলামী করা
বান্দা জীবনে সকল কাজকর্ম করবে দুইটি নীতি অনুসরন করে করবে
১.قضاء ورضا ء رب বা আল্লাহর রাজি খুশির জন্য
২. طريقه رسول বা নবীর তরিকায়
মানে হল বান্দা হাসি দেওয়া, কান্না করা,ভাত খাওয়া,স্ত্রী সহবাস করা, ঘুমানো,বাথরুমে যাওয়া, জীবনের সকল কাজ এবাদত হবে শর্ত হল ঐ দুইটি। এখানে আল্লাহর কাছে ওয়াদা করছি আমরা যে আমাদের জীবনের ব্যক্তিগত,পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রিয়,আন্তর্জাতিক সকল ক্ষেএে আল্লাহর আইন মেনে চলব ও কায়েম করব
কিন্তু যারা নিয়মিত পাচওয়াক্ত সালাতে এ ওয়াদা করে ও সুদ,জেনা,মদ,নারী, বিভিন্ন কবিরা গুনাহ করছি ও ওয়াদা ভঙ্গ করছি তারা আল্লাহর কাছে জাতীয় বেইমান ও মুনাফিক, মুনাফিক চিরকাল জাহান্নামে থাকবে।””একমাএ তুমারি কাছে সাহায্যচাই,, মানে হল কোন মাজারে কোন পীর সাহেবের কাছে কোন কিছু চাওয়া যাবেনা এবাদতে ও চাওয়াতে কারো শরিক করা যাবে না, হাদিসে আছে و اذاسالت فاساءلله

আয়াত নং ৫

اهدنا الصراط المستقيم
আমরা নামাজে পবিএ অবস্হায় দিনে পাচওয়াক্ত বার বার বলি হে আল্লাহ আমাদের হেদায়াত দাও তার মানে নামাজি কি হেদায়াত নয়? উওর হল الهديۃ هي التوفيق القوۃ والاستقامۃ علي الحق
হেদায়াত হল হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা,সুযোগ পাওয়া,নেককাজে শক্তি সুযোগ পাওয়া
সেটা হল “সিরাতুল মুসতাকিম “” মানে দুনিয়ায় সমাজতন্ত্র,রাজতন্ত্র,সহ মানব রচিত সকল মতবাদের গোলামি বাদ দিয়ে কোরআন সুন্নাহর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকাই সিরাতুল মুসতাকিম
সুরা ফাতিহা তাফসীর

আয়াত নং ৬

صراط الذين انعمت عليهم
এমন হেদায়াতের পথ যাতে তুমি রহমত, বরকত, নাজাত,দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তি নিহিত
যে পথে নবী রাসুল সাহাবি তাবেয়ী আয়েম্মায় মুজতাহিদীন চলেছেন যুগেযুগে হাজারো মুজাহিদ ও শাহিদগন যে রাস্তায় জীবন বিলিয়ে দিয়েছে তা হল আল্লাহর আইন ও রাসুলের সুন্নাহ নেয়ামত প্রাপ্তগন হল চার শ্রেনি
১. নবীগন মানে যারা নবুয়াত পেয়েছেন ও যাদের কাছে ওহি আসত মুলত এখানে নবীরাসুল কে উদ্দেশ্য করা হয়
২. সিদ্দিক বা সত্যবাদীগন মানে নবীরাসুলগনের অনুসারী সমস্ত সাহাবীগন
৩. শাহিদগন বা যুদ্ধ আল্লাহর পথে নিহতগন. ৪.সালিহগন মানে কেয়ামত পর্যন্ত সমস্ত নেককার আলেম ওলামা ওলীগন যারা কোরআন সুন্নাহ ও হকের উপর কায়েম থাকবে। আল্লাহ বলেন :-
اولءك مع الذين انعم الله من
النبين والصديقين والشهداء والصا لحين وحسن اولاءك رفيق
কেউ কেউ সরাসরিভাবে তাফসীর করেন
صِرٰطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّآلِّينَ
তাদের পথ, যাদেরকে তুমি নিয়ামত দান করেছ; তাদের পথ, যারা ক্রোধভাজন (ইয়াহুদী) নয় এবং যারা পথভ্রষ্টও (খ্রিষ্টান) নয়। আমীন
এ হল স্বিরাত্বে মুস্তাক্বীম তথা সরল পথের ব্যাখ্যা। অর্থাৎ সেই সরল পথ হল ঐ পথ, যে পথে চলেছেন এমন লোকেরা যাঁদেরকে তুমি নিয়ামত, অনুগ্রহ ও পুরস্কার দান করেছ। আর নিয়ামত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত দলটি হল নবী, শহীদ, চরম সত্যবাদী (নবীর সহচর) এবং নেক লোকদের দল। যেমন আল্লাহ সূরা নিসার মধ্যে বলেছেন, আর যে কেউ আল্লাহ এবং রসূলের আনুগত্য করবে (শেষ বিচারের দিন) সে তাদের সঙ্গী হবে, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন; অর্থাৎ নবী, সিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীলগণ। আর সঙ্গী হিসাবে এরা অতি উত্তম।। (সূরা নিসা আয়াত ৬৯)
এই আয়াতে এ কথাও পরিষ্কার করে বলে দেওয়া হয়েছে যে, পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লোকদের পথ হল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্যের পথ, অন্য কোন পথ নয়। কোন কোন বর্ণনা দ্বারা সুসাব্যস্ত যে, مَغْضُوْبٌ عَلَيْهِمْ (ক্রোধভাজনঃ যাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হয়েছে তারা) হল ইয়াহুদী। আর ضَالِّيْنَ (পথভ্রষ্ট) বলতে খ্রিষ্টানদেরকে বুঝানো হয়েছে।
ইবনে আবী হাতেম বলেন, মুফাসসিরীনদের মধ্যে এ ব্যাপারে কোন মতভেদ নেই যে, {المَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ} হল ইয়াহুদীরা এবং{الضَّالِّينَ} হল খ্রিষ্টানরা। (ফাতহুল ক্বাদীর) তাই সঠিক পথে চলতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য অত্যাবশ্যক হল যে, তারা ইয়াহুদী এবং খ্রিষ্টান উভয় জাতিরই ভ্রষ্টতা থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখবে। ইয়াহুদীদের সব থেকে বড় ভ্রষ্টতা এই ছিল যে, তারা জেনে-শুনেও সঠিক পথ অবলম্বন করেনি। তারা আল্লাহর আয়াতসমূহের বিকৃতি ও অপব্যাখ্যা করতে কোন প্রকার কুণ্ঠাবোধ করতো না। তারা উযাইর (আঃ)-কে আল্লাহর পুত্র বলতো। তাদের পন্ডিত ও সাধু-সন্নাসীদের হালাল ও হারাম করার অধিকার আছে বলে মনে করতো। আর খ্রিষ্টানদের সব থেকে বড় ত্রুটি এই ছিল যে, তারা ঈসা (আঃ)-এর ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে তাঁকে আল্লাহর পুত্র এবং তিনের এক সাব্যস্ত করেছে।
দুঃখের বিষয় যে, উম্মাতে মুহাম্মাদিয়ার মধ্যেও এই ভ্রষ্টতা ব্যাপক রূপ ধারণ করেছে। যার কারণে তারা দুনিয়াতে লাঞ্ছিত এবং ঘৃণিত হচ্ছে। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ভ্রষ্টতার গহ্বর থেকে বের করুন; যাতে তারা অবনতি ও দুর্দশার বর্ধমান অগ্নিগ্রাস থেকে সুরক্ষিত থাকে।
সূরা ফাতিহার শেষে ‘আ-মীন’ বলার ব্যাপারে নবী করীম (সাঃ) খুব তাকীদ করেছেন এবং তার ফযীলতও উল্লেখ করেছেন। কাজেই ইমাম এবং মুক্তাদী সকলের আমীন বলা উচিত। নবী করীম (সাঃ) এবং তাঁর সাহাবাগণ জেহরী (সশব্দে পঠনীয়) নামাযগুলোতে উচ্চস্বরে এমন ভাবে ‘আ-মীন’ বলতেন যে, মসজিদ গমগম করে উঠত। (ইবনে মাজা-ইবনে কাসীর)
তবে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জাময়াতের মতে নামাজে আস্তে আমীন বলা সুন্নাত সাব্যস্ত হয়েছে। সুতরাং আমীন আস্তে-জোরে বলা নিয়ে মারামারি না করে আমলের প্রতি নজর দেয়া উত্তম।
সুরা ফাতিহা তাফসীর

আয়াত নং ৭

غير المغضوب عليهم ولا الضا لين
তাদের রাস্তা নয় যাদের উপর আপনি রাগান্নিত যারা পথভ্রষ্ট এখানে মাগদুব হল যারা জেনে শুনে বুজে আল্লাহর আইন ও রাসুলের সুন্নাহ পরিহার করে মানব রচিত মতবাদ দিয়ে জীবন পরিচালনা করেছে তাদের উপর আল্লাহর রাগ ও লানত দেন যেমন
আল্লাহ বলেন ومن يعص الله والرسول ويتعدد حدوده …………. اولاءك عليهم لعنۃ الله وغضبه وماوه جهنم
আর দ্বাল্লিন মানে যারা না জেনে না শুনে ইসলাম কোরআন হাদিস সম্পকে আন্তাজে সিদ্ধান্ত নেয় এর উপর প্রতিষ্ঠিত হয়
আল্লাহ বলেন ومن يشرك بالله فقد ضل ضلل بعيد মুলত শিরক, কুফর, বিদআত তিনটি দালালাহ
বা গোমরাহি কোন কোন তাফসীরে মাগদুব বলতে ইহুদি যারা ওজাইরকে আল্লাহর পুএ বলত
আর দ্বাললীন বলতে নাছারা যারা ইসা ও তার মা মরিয়ম কে আল্লাহর পুএ ও স্ত্রী বলত
এই দুই জাতিকে উল্লেখ্য করেছে।

৪ responses to “সুরা ফাতিহা তাফসীর – (১-৭)”

  1. Greetings! Quick question that’s completely off
    topic. Do you know how to make your site mobile friendly?
    My website looks weird when viewing from my iphone 4.
    I’m trying to find a template or plugin that might be able to correct this issue.
    If you have any suggestions, please share. Appreciate it!

  2. Generally I do not read article on blogs, however I wish to say that this write-up very forced me to take a look
    at and do so! Your writing style has been surprised me.

    Thanks, very great post.

  3. Please let me know if you’re looking for a author for your site.
    You have some really good articles and I feel I would be a good asset.
    If you ever want to take some of the load off, I’d absolutely love to write some material for your blog
    in exchange for a link back to mine. Please send me an e-mail if interested.
    Many thanks!

  4. I am extremely impressed with your writing skills
    as well as with the layout on your blog. Is this a paid theme
    or did you customize it yourself? Either way keep up the excellent quality writing, it’s rare to see a nice blog like
    this one nowadays.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap
%d bloggers like this: